নতুন শিক্ষানীতি অনুমোদিত মন্ত্রিসভায়, পড়াশোনার মাঝে লম্বা ছুটি নিতে পারবে শিক্ষার্থীরা


বুধবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে পাস হল নয়া শিক্ষানীতি। গতবছর জুন মাসে নয়া শিক্ষানীতির খসড়া প্রকাশিত হয়। তার ওপরে নানা মহলের পরামর্শ চাওয়া হয়েছিল। খসড়া শিক্ষানীতি সম্পর্কে মতামত জানানোর শেষ তারিখ ছিল ২০১৯  সালের ৩১ জুলাই। খসড়ার কয়েকটি বিষয় নিয়ে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন বিরোধীরা। তার মধ্যে আছে ত্রিভাষা ফর্মুলা, চার বছরের বিএড কোর্স, ক্লাস ফাইভ ও এইটে বোর্ডের পরীক্ষা। উচ্চশিক্ষা মন্ত্রকের সচিব অমিত খারে জানিয়েছেন, শিক্ষার্থীরা পড়াশোনার মাঝে লম্বা ছুটি নিতে পারবে। এই ধরনের ছুটিকে বলা হয় 'স্যাবাটিকাল'। কতদিনের জন্য ছুটি দেওয়া হবে তা স্থির করবে উচ্চশিক্ষা কমিশন। শিক্ষার্থীরা নিজেদের পছন্দমতো মেজর ও মাইনর সাবজেক্ট বাছতে পারবে।

কলেজগুলিকে দেওয়া হবে স্বশাসন। অমিত খারে জানান, ৩৪ বছর বাদে নতুন শিক্ষানীতি চালু হচ্ছে দেশে। এর আগে ১৯৮৬ সালে শিক্ষানীতি চালু হয়েছিল। ১৯৯২ সালে তা সংশোধিত হয়। খসড়া শিক্ষানীতি নিয়ে আড়াই লক্ষ গ্ৰাম পঞ্চায়েতের সাথে আলোচনা করা হয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন রাজ্য সরকারের কর্তা ও শিক্ষাবিদরাও মতামত দিয়েছেন। নয়া শিক্ষানীতি তৈরির জন্য যে প্যানেল গঠিত হয়েছিল, তার শীর্ষে ছিলেন ইসরোর প্রাক্তন প্রধান কে কস্ত্তরিরঙ্গন। গতবছর তিনি মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রী রমেশ পোখরিয়াল নিশাঙ্কের কাছে খসড়া শিক্ষানীতি জমা দেন। তারপরেই এসম্পর্কে সাধারণ মানুষের মতামত আহ্বান করা হয়।


ফিজা সিদ্দিকী

৫ ই সেপ্টেম্বরের পর থেকে রাজ্যের খুলতে পারে স্কুল, কলেজ সহ অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গুলি।

করোনা পরিস্থিতির উন্নতি হলে আগামী ৫ সেপ্টেম্বর থেকে ফের স্কুল, কলেজ খােলার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। ভাবা হয়েছে যে পুজোর আগে যদি একমাস ক্লাস করানো যায় তার ব্যাপারে। সেক্ষেত্রে অল্টারনেটিভ দিনে ক্লাস চালুর ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে বলে মঙ্গলবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। করােনা পরিস্থিতির জেরে গত মার্চ মাস থেকেই তালা ঝুলছে রাজ্যের স্কুল , কলেজ সহ অন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতে প্রতিদিন দেশের অন্য রাজ্যের পাশাপাশি সংক্রমণের সংখ্যা বাড়ছে এই বাংলাতেও। তাই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, এই পরিস্থিতিতে এখনই রাজ্যের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলি খােলার কোনও প্রশ্নই নেই। এও জানিয়েছেন যে আগামী ৩১ অগাস্ট পর্যন্ত বন্ধই থাকছে স্কুল, কলেজ ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো। তবে পরিস্থিতির উন্নতি হলে ৩১ অগাস্টের মধ্যে ফের বৈঠকে বসবেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী‌। সেই সময়ের পরিস্থিতি পর্যালােচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে স্কুল, কলেজ খােলা হবে কী না তা নিয়ে, জানিয়েছেন তিনি।


সোমনাথ গোস্বামী

চিনা লালফৌজের মতবদল, প্রতিকূল অবস্থায় বিপর্যস্ত হলে বদলাবে সমীকরণ । লাদাখ সীমান্তের বর্তমান পরিস্থিতি


নিজস্ব প্রতিবেদক : লাদাখের বিস্তীর্ণ এলাকায় এখন থেকেই শীত পড়তে শুরু করেছে। অগাস্ট মাসের মাঝামাঝি থেকেই শুরু হয়ে যায় শীতকাল। আর সেপ্টেম্বর থেকে প্রবল ঠান্ডার প্রকোপে কাঁপতে থাকে গোটা এলাকা। অগাস্ট থেকে যে তাপমাত্রা পারদ নামতে শুরু করে সেপ্টেম্বরে তা নেমে যায় মাইনাসেরও অনেক নিচে। আর প্রবল এই ঠান্ডায় চিনা সেনাদের অবস্থানে প্রতিকূল পরিস্থিতি তৈরি করবে বলেই মনে করছে ভারতীয় সেনা বাহিনী।

গত ১৫ জুন গালওয়ানে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েছিল ভারতীয় ও চিনা সেনা। সেই সংঘর্ষে থেকে বেঁচে আসা সেনাবাহিনীর বিবরণ অনুযায়ী সেই সময়ই  গালওয়ান নদীর তাপমাত্রা শূণ্য ডিগ্রির কাছাকাছি  ছিল।  চিনের পিপিলস লিবারেশন আর্মির সদস্যরা সাঁজোয়া গাড়ি করে এসেছিল। কিন্তু দুই দলের সংঘর্ষ শুরু পরে চিনা বাহিনী স্থানীয় আবহাওয়ার সঙ্গে খাপ খাওয়াতে পারেনি। তাই ভারতীয় সেনাদের তুলনায় তাদের ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ অনেক বেশি ছিল। প্রত্যক্ষদর্শী ভারতীয় বাহিনীর সদস্যদের কথায় তাঁদের মত চিনা বাহিনীও অক্সিজেনের অভাবে দ্রুত কাবু হয়ে পড়েছিল। পাশাপাশি অনেকেই গালওয়ানের হিমশীতল জলে পড়ে গিয়েছিল। একটি সূত্র জানাচ্ছে ওইদিন সংঘর্ষে চোটআঘাতের থেকে দুই বাহিনীর আবহাওয়ার দুরুণ বেশি অস্বাস্তিতে পড়েছিলেন। তবে ভারতীয়দের তুলনায় চিনারাই বেশি কাবু হয়েছিলেন। কারণ ভারতীয় বাহিনী সর্বদাই অতিউচ্চতায় যুদ্ধ করতে সক্ষম। আর বিশ্বব্যাপী নামও রয়েছে ভারতীয় জওয়ানদের।